You are here:Categories»Best of 2012

সূত্রঃ ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং-১১, তাং-১৯-১০-২০১৬খ্রিঃ, ধারা-২৯৫ দঃ বিঃ।
    গত ১৮/১০/২০১৬খ্রিঃ দিবাগত রাতে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারী ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ধান্যদৌল বাজার জামে মসজিদের গেইটের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করতঃ মলত্যাগ করে, কোরআন শরীফ ছিঁড়ে ফেলে এবং মসজিদের জানালার গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে। এই ঘটনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আমি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং স্থানীয় জনগণ, আলেম ও ঈমাম পরিষদের সকলের সাথে মত বিনিময় করি। উক্ত ঘটনার রহস্য উদঘটান এবং দায়ী ব্যক্তিকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করার জন্য সকলের সহায়তা কামনা করি।

    ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা’র একটি টিমের সমন্বয়ে উক্ত ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা দৃস্কৃতিকারীকে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে সে মামলার ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে। মামলার ঘটনার তারিখ ও সময়ে অর্থাৎ গত ১৮/১০/২০১৬খ্রিঃ দিবাগত রাতে ১৯/১০/২০১৬খ্রিঃ তারিখে ফজরের  নামাজের আনুমানিক ০২ ঘন্টা পূর্বে ধান্যদৌল বাজার জামে মসজিদের গেইটের তালা তার বাড়ীর টিউবওয়েলের হাতল দ্বারা আঘাত করে খুলে ভিতরে প্রবেশ করতঃ বর্ণিত অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সংঘটন করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে মসজিদের তালা ও জানালার গ্লাস ভাঙ্গায় ব্যবহৃত টিউবয়েলের হাতল উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বেও সে চলতি বৎসর রোযার ঈদের পরে ও কোরবানী ঈদের আগে অর্থাৎ দুই ঈদের মধ্যবর্তী সময়ে দিনের বেলা অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় ধান্যদৌল চৌধুরী বাড়ী জামে মসজিদে প্রবেশ করে কোরআন শরীফ ছিঁড়ে ফেলে। সেই সময়ে মসজিদের গ্লাস ভাংতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে হাতে নাতে আটক করলে তার বাবা এসে তাকে নিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃত আসামী ঃ
    ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), পিতা-মোঃ সামছু মিয়া, সাং-ধান্যদৌল, থানা-ব্রাহ্মণপাড়া, জেলা-কুমিল্লা।

    আসামী দীর্ঘ প্রায় ১০/১২ বছর সৌদি প্রবাসি ছিল মর্মে জানায়।

আবার এলো পহেলা বৈশাখ
নতুন ভোরের আলো
অন্ধ মনের বনধ কপাট
খুলে ফেলাই ভালো।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির সার্বজনীন সম্প্রীতির মিলন উৎসব। হাজারো বছরের ঐতিহ্য লালিত সার্বজনীন লোক উৎসবের মাধ্যমে পুরনো ব্যর্থতা ও গ্লানি ভুলে নব কল্যাণের বার্তা নিয়ে আসে পহেলা বৈশাখ। পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রিক পরিসরে মঙ্গলের প্রতীক রূপে সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তির শুভকামনায় নববর্ষ চিরাচরিত আনন্দময় ও উৎসবমূখী বাঙালির দেহ-মন-প্রাণে অনুরণিত হয়। আত্মপরিচয়, আত্মবিকাশ ও নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারন, লালন ও বহনের নব প্রত্যয় নিঃসন্দেহে স্বপ্নময় ভবিষ্যতের আশাজাগানিয়া বহিঃপ্রকাশ।

বাঙালির সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আশা-আকাঙ্খা, বিরহ-বেদনা স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের হৃদয় নিংড়ানো অনুভূতি পহেলা বৈশাখের আনন্দধারায় সিঞ্চিত হয়ে মানব হৃদয়ের সৌহার্দ্য সম্প্রীতির স্পন্দন তোলে।

পহেলা বৈশাখে আত্মানুসন্ধানের মাধ্যমে আমাদের আলোড়িত, উজ্জ্বীবিত হতে হবে মানবিক মূল্যবোধের উন্মেষ ও দেশপ্রেমের সুমহান চেতনায়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যান্ত্রিক বাস্তবতার কাঠিন্য পরাজিত হবে সার্বজনীন সম্প্রীতির মৃন্ময় ভালোবাসায়। শুভ বাংলা নববর্ষ-১৪২৩ ।

 

 

 

                                                                                                                                           

                                                                                                                                           (মোঃ শাহ আবিদ হোসেন)
                                                                                                                                             পুলিশ সুপার
                                                                                                                                               কুমিল্লা।

Subscribe to our newsletter